রাজপাল যাদব
অভিনেতা, কৌতুকশিল্পী ও কণ্ঠাভিনেতা
টোটাল ধামাল, জড়ুয়া টু, ওয়েলকাম ব্যাক, কিক টু, মে তেরা হিরো, অ্যাকশন রিপ্লে, দে দানা দান, পার্টনার, চুপ চুপ কে, পহেলি ইত্যাদি।

 

রাজপাল যাদব জীবনী

  সিনেঘর ওয়েব দল

১৬ মার্চ, ২০১৯

রাজপাল যাদব ভারতীয় অভিনেতা, কৌতুকশিল্পী, টেলিভিশন অভিনেতা ও কণ্ঠাভিনেতা। হিন্দি সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য বেশ বিখ্যাত। বিশেষ করে কৌতুকাভিনয়ে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। হিন্দি ছাড়াও মারাঠি, তেলেগু ও কন্নড় সিনেমায় অভিনয় করেন।

জন্ম ও বেড়ে ওঠা
রাজপাল যাদব ১৬ মার্চ ১৯৭১ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তার জন্মিভিটা ভারতের উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরের কুন্দ্রা। দিল কিয়া কারে সিনেমা দিয়ে ১৯৯৯ সালে হিন্দি সিনেমায় যাত্রা শুরু হয়। তারে আগে তিনি অভিনয় নিয়ে পড়ালেখা করেন ও টেলিভিশনে অভিনয় করেন।

তিনি শাহজাহানপুরে সর্দার প্যাটেল হিন্দু ইন্টার কলেজে পড়ার সময় থিয়েটারে জড়িত হয়ে যান। সেখানে তিনি মঞ্চনাটক করা শুরু করেন। এর তিনি লক্ষ্মৌতে ভারতেন্ডু নাট্য একাডেমিতে যুক্ত হন। সেখান থেকে তিনি দিল্লি চলে আসেন।এবং যুক্তি হন ভারতের বিখ্যাত নাটকের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামায়।

রাজপাল যাদব ভারতীয় দুরদর্শনের জনপ্রিয় সিরিয়াল মুঙ্গেরিলাল কি হাসিন সাপ্নে এর সিক্যুয়াল মুঙ্গেরি কে ভাই নুরাঙ্গিলাল এ কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে সাড়া জাগিয়ে ফেলেন। যদিও তিনি ভিলেন হিসেবে তাঁর অভিনয়যাত্রা শুরু করেন কিন্তু তিনি এখন প্রতিষ্ঠিত একজন কৌতুকশিল্পী হিসেবে।

চলচ্চিত্রযাত্রা

এরপর তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা শুরু করেন। তাঁর অভিনীত সেরা চলচ্চিত্রগুলো হলো—ওয়াকত: দ্য রেস অ্যাগেইনস্ট টাইম, হাঙ্গামা, গরম মাসালা, চুপ চুপ কে, ঢোল, গরম মাসালা, ফির হেরা ফেরি, ঢোল ইত্যাদি। প্রত্যেকটি চলচ্চিত্রেই তাঁর ছোট ছোট চরিত্রের কৌতুকাভিনয় বেশ উপভোগ করেন দর্শকেরা। তার জনপ্রিয় চলচ্চিত্র জংলি। নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি সানসুই স্ক্রিন বেস্ট অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ড জিতে যান। এ ছাড়া মনোনীত হন স্ক্রিন বেস্ট অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ড। এ ছাড়া তিনি লাভ করেন যশ ভারতী পুরস্কার। প্রতি চলচ্চিত্রে তিনি ৫০ লাখ রুপি নিয়ে থাকেন। যদিও এটি কেবলি অনুমান মাত্র।

পরিবার
কানাডাতে চলচ্চিত্র শুটিংয়ের সময় রাজপাল যাদবের দেখা হয় রাধা যাদবের সঙ্গে। রাধার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর প্রেম ও বিয়ে হয়। তাদের আছে একটি মেয়ে আছে। রাজপাল অমিতাভ বচ্চন, আমির খান, মেহমুদ ও শক্তি কাপুরের ভক্ত।

চলচ্চিত্র (উল্লেখযোগ্য)
মাস্ত (১৯৯৯), তুম সে আচ্ছা কেউ হে (২০০২), তুমকো না ভুল পায়েঙ্গে (২০০২), হাঙ্গামা (২০০৩), কাল হো না হো (২০০৩), আন (২০০৪), মুজসে শাদি করোগি (২০০৪), ভাস্তু শাস্ত্র (২০০৪), মে পেয়ার কিউ কিয়া (২০০৫), নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস (২০০৫), মালামাল উইকলি (২০০৬), আগ (২০০৭), ভুতনাথ (২০০৮), চাল চালা চাল (২০০৯), দে দেনা দান (২০০৯), গ্যাং অব ঘোস্ট (২০১৪)।




 খুঁজুন